- Advertisement -

কৃষি পরিবেশ অঞ্চল

কৃষি পরিবেশ অঞ্চল (এইজেড) পরিচিতি

3,231

- Advertisement -

 

বাংলাদেশের কৃষি পরিবেশ অঞ্চল (এইজেড) পরিচিতি

কৃষিবিদ মোহাইমিনুর রশিদ

বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকাকে ভূমিরূপ, মৃত্তিকা, পানি ও কৃষি জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য অনুসারে যে ৩০টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে তাকে কৃষি পরিবেশ অঞ্চল বলা হয়। এ সকল অঞ্চলকে আবার ৮১ টি উপঅঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। প্রধান যে ৪ টি উপাদান ভিত্তি বিবেচনা করে বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে তা হলোঃ-

ক) ভূমিরূপ ও মৃত্তিকা উৎস দ্রব্য: মৃত্তিকা এবং উদ্ভিদ আচ্ছাদনের বৈশিষ্ট্য। ভূমিরূপকে প্রাথমিকভাবে বিবেচনা করে ২০টি ভূমিরূপ একক এবং একে পুনরায় ৩০টি উপ এককে ভাগ করে ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

খ) মৃত্তিকা: উদ্ভিদ বৃদ্ধি সম্পন্ন মৃত্তিকা গুণাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে ১৬টি সাধারণ প্রকারের মৃত্তিকাকে বিভিন্ন কৃষি পরিবেশ অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

গ) পানি পরিস্থিতি : মৌসুমী প্লাবন ও জমির উচ্চতার ভিত্তিতে ৫ প্রকার জমি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

ঘ) কৃষি জলবায়ু : এলাকাভেদে ফসল জন্মানোর সময়সীমা ও বৃষ্টিপাত বৈশিষ্ট্য (খরিপ ও রবি) এবং উত্তাপ (রবি ও গ্রীষ্ম) প্রয়োজনীয়ভাবে কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

কৃষি অঞ্চল সমূহের তালিকা :

অঞ্চল- ১: পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও এর অধিকাংশ এবং দিনাজপুরের উত্তর পশ্চিমাংশ।
অঞ্চল -২ : রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা
অঞ্চল -৩: রংপুরের অধিকাংশ, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়ের পূর্বাঞ্চল, বগুড়ার উত্তরাঞ্চল, জয়পুরহাট, নওগা ও রাজশাহীর অংশ বিশেষ।
অঞ্চল-৪: বগুড়ার পূর্বাঞ্চল ও সিরাজগঞ্জের অধিকাংশ এলাকা।
অঞ্চল-৫: নওগা ও নাটোরের অধিকাংশ এবং রাজশাহী, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের সামান্য এলাকা।
অঞ্চল -৬: নওগাঁর পশ্চিমাংশ ও নবাবগঞ্জের উত্তরাংশ।
অঞ্চল -৭: কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও মানিকগঞ্জের পূর্বাংশ।
অঞ্চল -৮: শেরপুর, জামালপুর, ও টাংগাইল জেলার পশ্চিমাংশ।
অঞ্চল -৯: জামালপুর, শেরপুর, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, ও নারায়ণগঞ্জ।
অঞ্চল -১০: নবাবগঞ্চ এবং রাজশাহীর গঙ্গা ও মেঘনা অববাহিকা হতে লক্ষীপুর ও বরিশালের মেঘনা মোহনা।
অঞ্চল -১১: রাজশাহী নবাবগঞ্জ, পাবনার দক্ষিণাংশ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, সাতক্ষীরা এবং খুলনা।
অঞ্চল -১২: নাটোর, পাবনা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরিয়তপুর, কুষ্টিয়া, মাগুরা এবং নড়াইল। খুলনা ও বাগেরহাটের (উত্তর পূর্বাঞ্চল), বরিশাল (উত্তরাঞ্চল), মানিকগঞ্জ, ঢাকা এবং মুন্সীগঞ্জ (দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল)
অঞ্চল -১৩: বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট।
অঞ্চল -১৪: মাদারিপুর, গোপালগঞ্জ, নড়াইল, যশোর, বাগেরহাট এবং খুলনা।
অঞ্চল -১৫: মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকা।
অঞ্চল -১৬: কিশোরগঞ্জ, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নরসিংদী, ও নারায়গঞ্জ এর অংশ ।
অঞ্চল -১৭: চাঁদপুর, লক্ষীপুর ও নোয়াখালী।
অঞ্চল -১৮: চট্রগ্রাম, ফেণী, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও বরগুনা।
অঞ্চল -১৯: হবিগঞ্জ, ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ঢাকা, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, শরিয়তপুর, মাদারিপুর, গোপালগঞ্জ ও বরিশাল।
অঞ্চল -২০: সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।
অঞ্চল -২১: সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া।
অঞ্চল -২২: শেরপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া এবং কুমিল্লা।
অঞ্চল -২৩: ফেনী চট্রগ্রাম এবং কক্সবাজার।
অঞ্চল -২৪: কক্সবাজার (সেন্ট মার্টিন দ্বীপ)
অঞ্চল -২৫: দিনাজপুর, গাইবাদ্ধা, জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ এবং নাটোর।
অঞ্চল -২৬: রাজশাহী, নবাবগঞ্জ এবং নওগাঁ।
অঞ্চল -২৭: গাইবান্ধা, রংপুর, বগুড়া, দিনাজপুর, এবং জয়পুরহাট।
অঞ্চল -২৮: ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, টাংগাইল, ময়মনসিংহ এবং কিশোরগঞ্জ।
অঞ্চল -২৯: খাগড়াছড়ি, বান্দরবন, রাঙ্গামাটি, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, হবিগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার।
অঞ্চল -৩০ : আখাউড়া ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া এবং হবিগঞ্জ জেলার কিয়দংশ।

=====

- Advertisement -

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়, কিন্তু ট্র্যাকব্যাক এবং পিংব্যাক খোলা.